ছবি সংগ্রহীত
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আলিমাবাদ ইউনিয়নে এবার ৯৬ একর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। ইউনিয়নের মিজিকান্দা, পাতাবুনিয়া, সুইজগেট, দারোগার চর, স্বাধীন বাজার, বগীরচর, কাজিরহাট ও উত্তর দাইয়া এলাকায় এই মৌসুমী ফলের চাষ করা হয়েছে।
কৃষকরা জানিয়েছেন, একর প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ১,২৫,০০০ থেকে ১,৩০,০০০ টাকা। এবারের ফলন ভালো হওয়ায় তারা একর প্রতি ১,৮০,০০০ থেকে ২০,৫০,০০০ টাকা বিক্রির আশা করছেন।
মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে তারা ইতিমধ্যে প্রথম কাটা তরমুজ বাজারে পাঠিয়েছেন এবং দাম পেয়েছেন সন্তোষজনক।
স্থানীয় কৃষক শহীদ গাজী এবার সবচেয়ে বেশি জমি চাষ করেছেন, প্রায় ১১.২ একর। তার চাষ করা তরমুজ বরিশাল, ঢাকা সহ মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জের তরমুজ চাষিরা মূলত “কৃতি হাইব্রিড” জাতের তরমুজ চাষ করেন। এর মিষ্টি স্বাদ ও লাল মাংসের কারণে বাজারে চাহিদা বেশি। চাষে ব্যবহৃত মূল সারগুলো হলো: গোবর/কম্পোস্ট, ইউরিয়া, সুপার ফসফেট, মুরেট অফ পটাশ, জিংক সালফেট ও বোরন।
কৃষকরা জানিয়েছেন, আলিমাবাদ ইউনিয়নের ৯৬ একরের প্রায় সব ফসল প্রথম কাটা সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এখান থেকে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হবে। এবছর আগাম বৃষ্টি না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহে কোনো বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।
স্থানীয় কৃষক সবুজ বেপারী বলেন, তিনি ৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা, আর বিক্রির আশা ৮ লাখ টাকা।
