বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১০নং আলিমাবাদ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে এক রাতে একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও রুপার চেইনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের আগের রাত অর্থাৎ ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা থেকে রাত ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে এসব চুরির ঘটনা ঘটে।
আলিমাবাদ গ্রামের মাইনুদ্দিন রাড়ীর ঘর থেকে নগদ ১ হাজার ২০০ টাকা ও দুটি রুপার চেইন চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। একই গ্রামের নান্নু দেওয়ানের ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ আনুমানিক ১ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া গাগরিয়া গ্রামের হারুন মাঝির ঘর থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং তার ভাই নিজাম মাঝির ঘর থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
একই গ্রামের নুরু রাড়ীর ঘর থেকেও একটি স্বর্ণের হার, একটি স্বর্ণের চেইন, নগদ ৩০ হাজার টাকা ও দুটি স্বর্ণের ঝুমকা চুরি হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, চোরেরা কোনো কোনো বাড়িতে সিঁদ কেটে, কোথাও ঘরের দেয়াল টপকে এবং কোথাও খোলা দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। এমনকি কোনো কোনো বাড়িতে গোপনে লুকিয়ে থেকে সুযোগ বুঝে চুরি করার অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে নান্নু দেওয়ানের বাড়ি থেকে গাগরিয়া টাওয়ার এলাকার মো. সবুজের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এসব নথি পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নথি দুটি কীভাবে সেখানে গেল এবং চুরির ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
পরে সবুজের এনআইডি কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাটি তদন্ত করছে। তদন্তের মাধ্যমে চুরির প্রকৃত ঘটনা ও জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন ভুক্তভোগীরা।
