ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ হলে এর একটি সংযোগ শাখা মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১৪নং শ্রীপুর ইউনিয়নে নামবে—এমন আশায় বুক বেঁধেছিলেন শ্রীপুর ইউনিয়নের হাজারো মানুষ।
তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা সংযোগে নতুন মহাসড়ক নির্মাণের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাতে শ্রীপুর ইউনিয়ন সরাসরি যুক্ত না থাকায় নতুন করে হতাশা দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
শ্রীপুর ইউনিয়ন মেহেন্দিগঞ্জের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সড়কপথে উপজেলার অন্যান্য এলাকার সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এখানকার বাসিন্দাদের। স্থানীয়দের দাবি, আলিমাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের স্বাধীন বাজারের রাস্তার মাথা থেকে শ্রীপুর ইউনিয়নের দূরত্ব খুব বেশি নয়। ওই স্থান থেকে শ্রীপুরের সঙ্গে একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট একটি সেতু করা হলে সহজেই শ্রীপুরকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনা সম্ভব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর মহিষা ওয়াহিদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক শিহাব উদ্দিন জানান, ভোলা-বরিশাল সেতু হলে ভালো হতো। আমাদের যাতায়াত ভালো হবে। মেহেন্দিগঞ্জের সঙ্গে আমাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ নেই। সুতরাং মেহেন্দিগঞ্জের সাথে ঢাকার কানেক্ট হলে তাতে আমরা লাভবান হব না।
শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নয়ন জমাদ্দার জানিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান যে মহাসড়কের পরিকল্পনা করছেন আমরা এটার পক্ষেই আছি। এটাই আমাদের জন্য অনেক উপকার হবে।
অপরদিকে শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজ হাওলাদার জানান, ভোলা-বরিশাল সেতু হলে আমরা লাভবান হতাম। কিন্তু এখন আমাদের মন্ত্রী মহোদয় মেহেন্দিগঞ্জ দিয়ে সড়ক নির্মাণের জন্য প্রস্তাব করেছেন, আমরা তার পক্ষেই আছি।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য শাহিন আহমেদ জানান, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সিদ্ধান্ত এবং রাজীব আহসানকে সমর্থন জানাই। কিন্তু আমাদের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করতে আলিমাবাদের সাথে একটি সংযোগ সড়ক এবং সেতু তৈরি করলেই আমরা মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত হতে পারব। তাতে আমরা খুশি।
